বিশ্বসাহিত্যের সবচেয়ে জনপ্রিয় লেখকদের একজন জে কে রাউলিং। তার সৃষ্টি হ্যারি পটার সিরিজ শুধু শিশু কিশোর নয়, সব বয়সের পাঠকের মন জয় করেছে। তবে এই অসাধারণ সাফল্যের পেছনে রয়েছে দীর্ঘ সংগ্রাম, প্রত্যাখ্যান, ব্যক্তিগত বেদনা এবং অবিশ্বাস্য ধৈর্যের গল্প।
শৈশব
থেকেই রাউলিংয়ের স্বপ্ন ছিল লেখক হওয়ার।
তিনি বলেছেন, যত দূর মনে
পড়ে, সব সময়ই তিনি
লেখক হতে চেয়েছেন। নিজের
লেখার ঘরে একা বসে
কল্পনার জগৎ তৈরি করাই
তাঁকে সবচেয়ে বেশি আনন্দ দেয়।
ইংল্যান্ড
ও ওয়েলস সীমান্তের একটি ছোট গ্রামে
তার শৈশব কেটেছে। মাত্র ছয় বছর বয়সে
তিনি একটি খরগোশকে নিয়ে
প্রথম গল্প লেখেন। গল্পের
খরগোশটির নামও ছিল খুব
সাধারণ, "র্যাবিট"। এগারো বছর
বয়সে তিনি সাতটি অভিশপ্ত
হীরাকে কেন্দ্র করে তার প্রথম উপন্যাস
লেখেন। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ে ফরাসি
ভাষা ও ক্লাসিকস বিষয়ে
পড়াশোনা করেন এবং কোর্সের
অংশ হিসেবে এক বছর প্যারিসে
কাটান।
ট্রেনে
জন্ম নেয় হ্যারি পটার
১৯৯০
সালে ম্যানচেস্টার থেকে লন্ডনে ফেরার
পথে একটি বিলম্বিত ট্রেনে
বসে হঠাৎ তার মাথায় আসে
এক কিশোর জাদুকরের গল্প। সেই ছেলেটি জাদুবিদ্যার
স্কুলে পড়তে যায়। এভাবেই
জন্ম নেয় হ্যারি পটার
এবং হগওয়ার্টসের ধারণা।
তিনি
বলেছেন, পুরো ভাবনাটি যেন
হঠাৎ প্রবল উত্তেজনার ঢেউয়ের মতো এসে তাঁকে
আচ্ছন্ন করেছিল। একের পর এক
নতুন ধারণা মাথায় আসছিল। কিন্তু সেদিন জীবনে বিরল এক ঘটনা
ঘটেছিল। তার সঙ্গে কোনো কলম ছিল
না। তাই তিনি শুধু
কল্পনায় গল্পের খুঁটিনাটি ধরে রাখেন। পরে
সেই কল্পনার অধিকাংশই বইয়ে স্থান পায়।
শুরু
থেকেই তিনি জানতেন, গল্পটি
সাতটি বইয়ে শেষ হবে।
পুরো কাহিনির পরিকল্পনা তিনি প্রথম দিকেই
তৈরি করে ফেলেছিলেন। প্রথম
বই Harry Potter and
the Philosopher's Stone লিখতে
তার পাঁচ বছর সময় লাগে।
এই সময়েই তার জীবনে ঘটে অনেক বড়
পরিবর্তন। তার মা মারা যান। তিনি
পর্তুগালে গিয়ে ইংরেজি ভাষার
শিক্ষক হিসেবে কাজ শুরু করেন।
সেখানে বিয়ে করেন এবং
তার প্রথম মেয়ে জেসিকার জন্ম
হয়।
কিন্তু
সংসার টেকেনি। বিবাহবিচ্ছেদের পর জেসিকাকে নিয়ে
স্কটল্যান্ডের এডিনবরায় বোনের কাছে চলে আসেন।
সঙ্গে ছিল একটি স্যুটকেস,
যার ভেতরে ছিল হ্যারি পটারের
প্রথম তিনটি অধ্যায়।
এডিনবরায়
তিনি ফরাসি ভাষার শিক্ষক হিসেবে প্রশিক্ষণ নেন এবং শিক্ষকতা
করেন। একই সঙ্গে অবসর
পেলেই লিখতেন। শহরের বিভিন্ন ক্যাফেতে বসে তিনি লেখালেখি
চালিয়ে যেতেন। তখন ছোট্ট জেসিকা
ঘুমিয়ে থাকত তার প্র্যামে।
সম্পূর্ণ
পাণ্ডুলিপি শেষ করার পর
তিনি প্রথম তিনটি অধ্যায় কয়েকজন সাহিত্য প্রতিনিধির কাছে পাঠান। তাঁদের
মধ্যে একজন পুরো পাণ্ডুলিপি
দেখতে চান। রাউলিংয়ের ভাষায়,
সেটিই ছিল তার জীবনের সবচেয়ে
আনন্দের চিঠি।
এরপরও
প্রকাশক খুঁজে পেতে আরও এক
বছর লেগে যায়। বহু
প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান পাণ্ডুলিপি ফিরিয়ে দেয়। অবশেষে ১৯৯৭
সালের জুন মাসে ব্লুমসবারি
Harry Potter and the Philosopher's Stone প্রকাশ
করে।
বইটি
প্রকাশিত হয় জে কে
রাউলিং নামে। তার আসল নাম জোয়ান রাউলিং।
কে অক্ষরটি এসেছে তার পিতামহীর নাম
ক্যাথলিন থেকে। প্রকাশকের পরামর্শেই তিনি আদ্যক্ষর ব্যবহার
করেন, কারণ তাঁদের ধারণা
ছিল, ছেলেরা নারী লেখকের বই
কিনতে কম আগ্রহী হবে।
১৯৯৮
সালের আগস্টে বইটি যুক্তরাষ্ট্রে প্রকাশিত
হয় Harry Potter and
the Sorcerer's Stone নামে।
প্রকাশকের অনুরোধেই শিরোনাম পরিবর্তন করা হয়েছিল। এই
বই প্রকাশের পরই তার জীবন আমূল
বদলে যায় এবং বিশ্বজুড়ে
হ্যারি পটারের জনপ্রিয়তা বিস্ফোরণের মতো ছড়িয়ে পড়ে।
পরবর্তী
প্রায় দশ বছরে তিনি
সিরিজের বাকি ছয়টি বই
লেখেন। একই সময়ে বইগুলো
অবলম্বনে চলচ্চিত্রও নির্মিত হতে থাকে। ২০০৭
সালে এডিনবরার বালমোরাল হোটেলে বসে সপ্তম ও
শেষ বই লেখা শেষ
করেন। তখন হ্যারি পটারের
সঙ্গে তার পথচলা সতেরো বছরের।
আজ হ্যারি পটার সিরিজ বিশ্বের
৮৫টিরও বেশি ভাষায় অনূদিত
হয়েছে। লাতিন, হিব্রু ও ওয়েলশ ভাষাও
তার মধ্যে
রয়েছে। অডিওবুক হিসেবে বইগুলো একশ কোটি ঘণ্টারও
বেশি সময় শোনা হয়েছে।
পরে নতুন পূর্ণাঙ্গ অভিনয়শিল্পী
সমন্বিত সংস্করণও প্রকাশিত হয়েছে।
তিনি
শিশুদের কল্যাণে তিনটি বইও লেখেন। Quidditch Through the Ages, Fantastic
Beasts and Where to Find Them এবং
The Tales of Beedle the Bard।
এগুলোর আয় তার শিশু
কল্যাণ সংস্থা লুমোসের জন্য ব্যয় করা
হয়।
নতুন
পথের সন্ধান
হ্যারি
পটার শেষ করার পর
তিনি শিশুদের বই থেকে সাময়িক
বিরতি নিয়ে প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য
The Casual Vacancy লেখেন।
বইটি ২০১২ সালে প্রকাশিত
হয় এবং ২০১৫ সালে
টেলিভিশনের জন্য নির্মিত হয়।
এরপর
বহুদিনের ইচ্ছা পূরণ করতে তিনি
গোয়েন্দা কাহিনি লেখা শুরু করেন।
২০১৩ সালে নিজের পরিচয়
গোপন রেখে রবার্ট গ্যালব্রেইথ
ছদ্মনামে প্রথম অপরাধভিত্তিক উপন্যাস প্রকাশ করেন। পরে জানা যায়,
এই ছদ্মনামের আড়ালে ছিলেন জে কে রাউলিং।
এরপরও তিনি একই নামে
করমোরান স্ট্রাইক সিরিজ লিখে চলেছেন। বর্তমানে
এই সিরিজের সাতটি বই প্রকাশিত হয়েছে
এবং প্রতিটি বিবিসি ও এইচবিও টেলিভিশনের
জন্য নির্মিত হয়েছে। আরও বই প্রকাশের
পরিকল্পনাও রয়েছে।
২০১৬
সালে তিনি আবার জাদুর
জগতে ফিরে আসেন। নাট্যকার
জ্যাক থর্ন এবং পরিচালক
জন টিফানির সঙ্গে মিলে Harry Potter and the
Cursed Child মঞ্চনাটক তৈরি করেন। নাটকটি
প্রথম লন্ডনে মঞ্চস্থ হয় এবং পরে
বিশ্বের বিভিন্ন শহরে প্রদর্শিত হতে
থাকে।
তিনি
Fantastic Beasts and Where to Find Them চলচ্চিত্রের
চিত্রনাট্যও লেখেন। এটি তার জন্য সম্পূর্ণ
নতুন অভিজ্ঞতা ছিল। গল্পটি হ্যারি
পটারের সময়ের আগের এবং এর
কেন্দ্রীয় চরিত্র জাদু প্রাণিবিদ নিউট
স্ক্যামান্ডার। ২০১৮ সালে Fantastic Beasts: The Crimes of
Grindelwald এবং ২০২২ সালে Fantastic Beasts: The Secrets of
Dumbledore মুক্তি পায়।
কোভিড
মহামারির সময় ২০২০ সালে
তিনি শিশুদের জন্য লেখা রূপকথার
গল্প The Ickabog বিনা মূল্যে অনলাইনে
ধারাবাহিকভাবে প্রকাশ করেন, যাতে ঘরে বন্দী
শিশু ও অভিভাবকেরা আনন্দ
পেতে পারে। পাঠকদের অভূতপূর্ব সাড়া তাঁকে আবার
শিশুদের জন্য লেখার আনন্দ
নতুন করে অনুভব করায়।
শিশুদের আঁকা ছবির প্রতিযোগিতাও
আয়োজন করা হয়। পরে
বইটি ২৬টি ভাষায় প্রকাশিত
হয় এবং প্রতিটি সংস্করণে
বিজয়ী শিশুদের আঁকা ছবি ব্যবহার
করা হয়। এই বই
থেকে পাওয়া রয়্যালটি তিনি তার ভলান্ট দাতব্য
ট্রাস্টে দান করেন, যা
বিশেষ করে নারী, শিশু
ও অসহায় মানুষের সহায়তায় কাজ করে।
২০২১
সালে প্রকাশিত হয় তার আরেকটি শিশুতোষ
উপন্যাস The Christmas
Pig। এটি একটি ছেলের
সবচেয়ে প্রিয় খেলনাকে খুঁজে পাওয়ার আবেগঘন অভিযানের গল্প।
লেখককে
ঘিরে কিছু কম জানা তথ্য
রাউলিংয়ের
মতে, লেখার জন্য সবচেয়ে আদর্শ
জায়গা জানালাওয়ালা একটি ঘর। কিন্তু
বাস্তব জীবন তাঁকে শিখিয়েছে,
সুযোগ পেলেই লিখতে হয়। ছোট মেয়ে
জেসিকা যখন ঘুমিয়ে পড়ত,
তখন তিনি এক ঘণ্টার
জন্য হলেও লেখায় বসতেন।
তিনি বলেছেন, মেয়ের কারণেই তিনি যেকোনো জায়গায়
মনোযোগ দিয়ে লিখতে শিখেছেন।
এমনকি একবার তিনি একটি জনসাধারণের
শৌচাগারে বসে হ্যারি পটারের
একটি অনুচ্ছেদ লিখেছিলেন। কোথায় সেই শৌচাগার ছিল,
তা অবশ্য তিনি কখনো জানাননি।
হ্যারি
পটারের প্রথম দিকের সব পরিকল্পনা তিনি
দুটি ছোট নোটবুকে লিখে
রেখেছিলেন। একটি নোটবুকের প্রচ্ছদে
ছিল ডাচ চিত্রকর্মের প্রতিলিপি,
অন্যটিতে ছিল উইলিয়াম মরিস
ধাঁচের নকশা। এই নোটবুকগুলোতে ছিল
জাদুমন্ত্রের নাম, সংলাপ, আঁকিবুঁকি,
পুরোনো ফোন নম্বর, ব্যক্তিগত
নোট এবং নানা ধারণা।
পরে সেগুলোর অনেক কিছুই Harry Potter and the Philosopher's Stone বইয়ে স্থান পায়।
এমনকি ডাম্বলডোরের প্রথম নামও সেখানে লেখা
ছিল, যদিও সেটি তিনি
কখনো প্রকাশ করেননি।
অনেক
জনপ্রিয় লেখক সমালোচকদের লেখা
আর পড়েন না। কিন্তু
রাউলিং আজও বইয়ের পর্যালোচনা
পড়েন। তার বিশ্বাস, ভালো সমালোচনা থেকে
শেখার সুযোগ থাকে। তিনি জানান, রবার্ট
গ্যালব্রেইথ নামে লেখার অন্যতম
কারণ ছিল মানুষ যেন
তার খ্যাতি বা সম্পদ নয়,
শুধু লেখার গুণ বিচার করে।
এমনকি তিনি আবার সত্যিকারের
প্রত্যাখ্যানের চিঠি পাওয়ার অনুভূতিও
ফিরে পেতে চেয়েছিলেন।
জে কে রাউলিং নামটি
ব্যবহারের পেছনে আরেকটি ব্যক্তিগত কারণও ছিল। প্রকাশকের পরামর্শ
অনুযায়ী তিনি আদ্যক্ষর ব্যবহার
করেছিলেন। তবে তিনি আরও
জানান, কঠিন বৈবাহিক সম্পর্ক
থেকে বেরিয়ে আসার পর তিনি
চেয়েছিলেন অন্য নামে প্রকাশিত
হতে। কারণ তার সাবেক স্বামী
জানতেন তিনি কী লিখছেন।
একসময় তার বিরুদ্ধে আদালতের নিষেধাজ্ঞাও নিতে হয়েছিল। প্রথমে
তিনি অলিভার পদবি নিয়ে অন্য
একটি ছদ্মনাম ভেবেছিলেন। পরে জে কে
রাউলিং নামেই বই প্রকাশের সিদ্ধান্ত
নেন।
বিশ্বজোড়া
খ্যাতি তাঁকে আনন্দের পাশাপাশি ভয়ও দিয়েছে। তার
স্বপ্ন ছিল, একদিন কোনো দোকানে ক্রেডিট
কার্ড দেওয়ার সময় কেউ বলবে,
"আপনি তো আমার প্রিয়
বইয়ের লেখক।" কিন্তু তিনি কখনো ভাবেননি,
তাঁকে সমুদ্রসৈকতে অনুসরণ করবে আলোকচিত্রী। তার
মতে, যদি শুরুতেই জানতেন এত দীর্ঘ সময়
ধরে এই খ্যাতি তাঁকে
বহন করতে হবে, তাহলে
হয়তো দ্বিতীয় বই লেখার সাহসই
পেতেন না।
সপ্তম
বই শেষ করার পর
তার মনে হয়েছিল, যেন জীবনের খুব
কাছের কাউকে হারিয়েছেন। স্বামী নিল তাঁকে ভেনিসে
নিয়ে গেলে সকালের নাশতার
টেবিলে
বসেই তিনি কান্নায় ভেঙে
পড়েন। তার ভাষায়, এটি ছিল শোকের
মতো অনুভূতি। কারণ হ্যারি পটার
তাঁকে মায়ের মৃত্যু, ভেঙে যাওয়া সংসার
এবং সন্তানের জন্মসহ জীবনের সবচেয়ে কঠিন সময়গুলো পার
হতে শক্তি জুগিয়েছে।
হ্যারি পটারের ভয়ংকর ডিমেন্টর চরিত্রগুলো তৈরি হয়েছিল বিষণ্নতাকে রূপ দেওয়ার উদ্দেশ্যে। তবে পরে তিনি বুঝতে পারেন, শৈশবের একটি দুঃস্বপ্নও এই চরিত্রের অনুপ্রেরণা ছিল। স্বপ্নে তিনি একটি কালো আলখাল্লা পরা, শুকনো হাতওয়ালা, পা ছাড়া ভাসমান ভয়ংকর প্রাণীকে নিজের দিকে এগিয়ে আসতে দেখেছিলেন।
জীবনে
অনেক বড় মঞ্চে উপস্থিত
হলেও ২০১২ সালের লন্ডন
অলিম্পিকের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে পাঠ করার অভিজ্ঞতাকেই
তিনি সবচেয়ে ভয়ংকর বলে মনে করেন।
একই বছর ছুটিতে থাকাকালেই
তার মাথায় The
Christmas Pig বইয়ের ধারণা আসে।
লেখার
বাইরে আরেকটি বড় দায়িত্ব
পরিবার
ও লেখালেখির পাশাপাশি দাতব্য কাজ তার জীবনের অন্যতম
প্রধান অগ্রাধিকার। তার ভলান্ট ট্রাস্ট নারী, শিশু ও ঝুঁকিতে
থাকা তরুণদের সহায়তায় কাজ করে। তিনি
এডিনবরার অ্যান রাউলিং রিজেনারেটিভ নিউরোলজি ক্লিনিকের মাধ্যমে মাল্টিপল স্ক্লেরোসিস রোগের গবেষণা ও রোগীদের সেবায়
সহায়তা করেন। এই ক্লিনিকটির নাম
রাখা হয়েছে তার মা
অ্যান রাউলিংয়ের স্মরণে, যিনি এই রোগে
মারা গিয়েছিলেন।
তিনি
আন্তর্জাতিক শিশু কল্যাণ সংস্থা
লুমোসের প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি। সংস্থাটি
সারা বিশ্বের শিশুদের নিরাপদ পারিবারিক পরিবেশে বড় হয়ে ওঠার
অধিকার নিশ্চিত করতে বিভিন্ন দেশের
শিশু সেবা ব্যবস্থার উন্নয়নে
কাজ করে।
বর্তমানে
জে কে রাউলিং স্কটল্যান্ডে
তার পরিবার এবং দুটি কুকুরকে
নিয়ে বসবাস করছেন। তার জীবনের গল্প প্রমাণ করে,
প্রত্যাখ্যান, কষ্ট এবং অনিশ্চয়তা
কখনোই একজন মানুষের স্বপ্নকে
থামিয়ে রাখতে পারে না। দৃঢ়
বিশ্বাস, কঠোর পরিশ্রম এবং
কল্পনার শক্তি থাকলে একটি বিলম্বিত ট্রেনযাত্রাও
বিশ্বসাহিত্যের ইতিহাস বদলে দিতে পারে।
এম. জেড
ড. বিজন কুমার শীল বিস্তারিত
বিপরীত স্রোত প্রতিবেদন বিস্তারিত
ডা. আহমদ মরতুজা চৌধুরী বিস্তারিত
যারিন মালিয়াত অদ্রিতা বিস্তারিত
মোহাম্মদ মাহমুদুজ্জামান বিস্তারিত
তিনদিনব্যাপী ডাকটিকিট প্রদর্শ.. বিস্তারিত
পটার সিরিজ বিশ্বের ৮৫টিরও বেশি.. বিস্তারিত
জীবন নিরাপদ না থাকলে কোনো স্ব.. বিস্তারিত
প্রফেসর ড. আসিফ মিজান বিস্তারিত
প্রফেসর ড. আসিফ মিজান বিস্তারিত