English
ঢাকা, শুক্রবার, ৯ অক্টোবর ২০২৬, ২৩ আশ্বিন ১৪৩৩

প্রকাশঃ ২০২৬-১০-০৮ ১৮:৪১:৩৯
আপডেটঃ ২০২৬-১০-০৯ ০৩:৩৫:৫১


সাংবাদিকতার ভুবনে এআই

সাংবাদিকতার ভুবনে এআই


মোহাম্মদ মাহমুদুজ্জামান

 

আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেনস ( Artificial Intelligence) বা  কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা- এআই-এর ভিত্তি গড়ে ওঠে বিশ শতকের শুরুতে আর বড় অগ্রগতি ঘটে ১৯৫০-এর দশকে। গণিতবিদ ও দার্শনিক অ্যালান টিউরিং ১৯৫০ সালে প্রকাশ করেন তার বিখ্যাত রচনা কমপিউটার মেশিনারি অ্যান্ড ইন্টেলিজেনস। যেখানে তিনি একটি প্রশ্ন তোলেন, মেশিন বা যন্ত্র কি চিন্তা করতে পারে?

এই প্রশ্ন থেকেই তিনি তৈরি করেন, টিউরিং টেস্ট যা আজও মেশিনের বুদ্ধিমত্তা যাচাই করার মানদণ্ড হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

কাছাকাছি সময়ে আর্থার স্যামুয়েল নামে একজন কম্পিউটার বিজ্ঞানী একটি চেকার খেলার প্রোগ্রাম তৈরি করেন যা নিজে নিজে শেখার মাধ্যমে উন্নতি করতে পারত। বলা যায় এটি ছিল এআই-ভিত্তিক প্রথম স্বশিক্ষিত প্রোগ্রাম। ১৯৫৫ সালে বিজ্ঞানী জন ম্যাকার্থি একটি গুরুত্বপূর্ণ ওয়ার্কশপের আয়োজন করেন ডার্টমাউথ কলেজে। এই ওয়ার্কশপের টাইটেলই ছিল- আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেনস এবং সেখান থেকেই প্রথম এর প্রচলন হয়। এই সম্মেলনে এআই-কে একটি স্বতন্ত্র গবেষণা শাখা হিসেবে প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টা শুরু হয়। এতে উপস্থিত ছিলেন মার্ভিন মিনস্কি, ক্লাউড শ্যাননসহ অনেক বিখ্যাত বিজ্ঞানী।

পঞ্চাশের দশকেই বিজ্ঞানী মহলে পরিচিত হলেও সাধারণ মানুষের কাছে এআই পরিচিত হয়ে ওঠে ২০০০ সালের পর। বিশেষ করে ২০০১ সালে হলিউডের পরিচালক স্টিভেন স্পিলবার্গ তার আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেনস নামের সায়েন্স ফিকশন মুভিটি দিয়ে পুরো বিশে^র ভাবনার জগতে নাড়া দেন।


স্টিভেন স্পিলবার্গ ২০০১ সালে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেনস মুভি দিয়ে পুরো বিশে^র ভাবনার জগতে নাড়া দেন

 

মুভিটির এআই লেখা পোস্টার ডিজাইনে কৃত্রিম মানব সৃষ্টির যে আগাম ধারণা তিনি দেন তা ব্যাপক আলোড়ন তোলে। এআই এখন আর সায়েন্স ফিকশন বা কল্পকাহিনী নয়। এটি এখন বাস্তবতা। কমপিউটার, মোবাইল ফোন, সোশাল মিডিয়ার মতো আমাদের প্রতিদিনের অনুসঙ্গ হতে যাচ্ছে এআই। একে অস্বীকার করে চোখ বন্ধ করে রাখার কোনো সুযোগ নেই। হয় আমাদের এআই-এর ওপর নিয়ন্ত্রণ নিতে জানতে হবে, নয়তো এআই আমাদের জীবন নিয়ন্ত্রণ করবে।

 

এআই ও সাংবাদিকতা

মাত্র কয়েক