English
ঢাকা, বুধবার, ৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩

প্রকাশঃ ২০২০-১২-২৫ ০৩:০১:১৫
আপডেটঃ ২০২৬-১১-০২ ০৮:২৪:৪১


তরুণ সমাজ শুধু দেশের ভবিষ্যত নয়, তারা বর্তমানও

তরুণ সমাজ শুধু দেশের ভবিষ্যত নয়, তারা বর্তমানও


-বাবু মার্কুজ গমেজ    

 

১৮৪৪ সালে স্যার জর্জ উইলিয়াম লন্ডনে প্রথম ইয়াং মেন’স ক্রিশ্চিয়ান অ্যাসোসিয়েশন- ওয়াইএমসিএ প্রতিষ্ঠা করেন। যুব সমাজকে বিপথগামী হওয়া থেকে রক্ষা করা এবং সমাজের কাজে তাদের অংশগ্রহণের প্রয়োজনীয়তা থেকে তিনি এই সংঘ গড়ে তোলেন। ওয়াইএমসিএ-র মূল মন্ত্র ‘বডি, মাইন্ড অ্যান্ড স্পিরিট’ বা ‘দেহ, মন এবং আত্মা’। ১৯৬৫ সালে ঢাকায় এর কার্যক্রম শুরু হলেও মূলত স্বাধীনতার পর থেকে ওয়াইএমসিএ-র বিকাশ ঘটে।

ন্যাশনাল কাউন্সিল অফ ওয়াইএমসিএ, বাংলাদেশ-এর বর্তমান প্রেসিডেন্ট বাবু মার্কুজ গমেজ (৫১) তার চমৎকার সাংগঠনিক দক্ষতা দিয়ে সংগঠনটিকে এগিয়ে নিয়ে চলেছেন। তিনি পাঁচ দফায় ন্যাশনাল কাউন্সিল অফ ওয়াইএমসিএ, বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়েছেন। ওয়াইএমসিএভুক্ত কোনো দেশের সর্বকনিষ্ঠ ন্যাশনাল কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট হওয়ার পাশপাশি বাবু মার্কুজ গমেজ বিভিন্ন সময় এশিয়া প্যাসিফিক অ্যালায়েন্স অফ ওয়াইএমসিএ-র নির্বাচিত সর্বকনিষ্ট প্রেসিডেন্ট, ভাইস প্রেসিডেন্ট ও নির্বাহী কমিটির সদস্যর দায়িত্ব পালন করেন। তিনি ওয়ার্ল্ড অ্যালায়েন্স অফ ওয়াইএমসিএ-র নির্বাহী কমিটির সদস্য হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। তিনি বাংলাদেশ ক্রিশ্চিয়ান অ্যাসোসিয়েশনের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট। তিনি ক্রিশ্চিয়ান কো-অপারেটিভ ক্রেডিট ইউনিয়নের নির্বাচিত সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এবং ২০১৭ সালে সেরা কো-অপারেটিভ লিডার হিসেবে প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে স্বর্ণপদক গ্রহণ করেন।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগ থেকে এমএ ডিগ্রিধারী বাবু মার্কুজ গমেজ পেশায় একজন ব্যবসায়ী। স্ত্রী মার্শিয়া মিলি গমেজ তার যোগ্য সহযাত্রী। ছেলে অভিষেক ও মেয়ে রাত্রিকে নিয়ে তাদের সংসার। সম্প্রতি তিনি তার নিজের জীবন ও অভিজ্ঞতা এবং বাংলাদেশের সম্ভাবনা নিয়ে কথা বলেন বিপরীত  স্রোত সম্পাদক মোহাম্মদ মাহমুদুজ্জামানের সঙ্গে।

 

 

মোহাম্মদ মাহমুদুজ্জামান: আপনার শিক্ষা, কাজ ও জীবনে পরিবারের ভূমিকা সম্পর্কে কিছু বলুন।

বাবু মার্কুজ গমেজ: আমার জন্ম ঢাকাতে। গ্রামের বাড়ি গাজীপুর। শিক্ষা জীবন শুরু সাভারে মামার বাড়ি থেকে। তারপর সেন্ট গ্রেগরি হয়ে তেজগাও সরকারি বালক বিদ্যালয় থেকে এসএসসি পরীক্ষা দিই। এরপর নটরডেম কলেজে কমার্সে পড়েছি এবং জাহাঙ্গীরনগর ইউনিভার্সিটি থেকে ইকোনমিক্সে অনার্স ও মাস্টার্স করি। আমার জীবনে আমার বাবা মায়ের ভূমিকা প্রবল। তিন বোন, এক ভাই আমরা। বাবা খ্রীষ্টফার গমেজ এবং মা পারুল ডরোথি গমেজ তাদের আদর্শে আমাদের বড় করেছেন। একমাত্র ছেলে হিসেবে যেমন আদর পেয়েছি তেমনি কঠোর অনুশাসনের মধ্যেও বড় হয়েছি। তাদের প্রথম লক্ষ্যই ছিল আমরা যেন উচ্চ শিক্ষিত হতে পারি। আমরা চার ভাইবোনই ঢাকা ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেছি। মূল্যবোধ তৈরির জন্য এবং বিভিন্ন কাজে অনুপ্রেরনা দিয়েছেন আমাদের বাবা মা। যেন আমরা ভালো মানুষ হতে পারি এবং সমাজের দায়িত্বগুলো সঠিক ভাবে পালন করতে পারি।

বাবা লজিস্টিকের ব্যবসা শুরু করেন। তিনি বাংলাদেশ ট্রাক কাভার ভ্যান ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের<