
বিপরীত স্রোত প্রতিবেদন
সম্প্রতি
বাংলাদেশের পুঁজিবাজারের ইতিহাসে আপতদৃষ্টিতে ছোট কিন্তু একটি মাইলফলক উদ্যোগ হিসেবে
৯ থেকে ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২১ সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) উদ্যোগে এবং ইউসিবি স্টক ব্রোকারেজের পৃষ্ঠপোষকতায় আয়োজিত
হয় ‘দি রাইজ অফ বেঙ্গল টাইগার: পটেনশিয়াল অফ বাংলাদেশ ক্যাপিটাল মার্কেটস’ শীর্ষক রোড শোসহ বিভিন্ন ইভেন্ট। দেশের বাইরে এই ধরনের উদ্যোগ এই প্রথম।
বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক শিবলী রুবাইয়াত-উল-ইসলামের দূরদর্শী উদ্যোগের
সহযোগী হিসেবে পাশে দাঁড়ায় ইউসিবি স্টক ব্রোকারেজ লিমিটেড। তাকে যোগ্য সহযোগিতা করে দুই সহযোগী প্রতিষ্ঠান ইউসিবি
অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড ও ইউসিবি ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড। পুরো অনুষ্ঠানের
আয়োজন বিষয়ে বিপরীত স্রোত জানতে চেয়েছিল এই তিন প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ কর্মকর্তাদের কাছে।
তারা হলেন ইউসিবি
স্টক
ব্রোকারেজ লিমিটেড-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং চিফ
এক্সিকিউটিভ অফিসার মোহাম্মদ রহমত পাশা, ইউসিবি অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড-এর চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার শেখ
মোহাম্মদ রাশেদুল হাসান এবং ইউসিবি
ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড-এর চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার তানজিম আলমগীর।
দুবাই ইভেন্ট নিয়ে প্রশ্ন
দি রাইজ অফ বেঙ্গল টাইগার উদ্যোগ নিয়ে যে প্রশ্নগুলো তাদের করা হয়েছিল:
১. বাংলাদেশের বাইরে দুবাইয়ে এ ধরনের একটি উদ্যোগ এই প্রথম। ইউসিবি স্টক ব্রোকারেজ কোন অনুপ্রেরনা থেকে এ ধরনের একটি উদ্যোগ গ্রহণ করেছে?
২.‘রাইজ অফ বেঙ্গল টাইগার’-এর মতো এত বৃহৎ আয়োজনের প্রস্তুতিতে বাংলাদেশ সরকার এর কী ধরনের বা কতটুকু সহযোগিতা পেয়েছেন?
৩. এই আয়োজন সম্পর্কে বা আয়োজক বিএসইসিকে নিয়ে যদি কিছু বলতেন।
৪. পুর্বে প্রবাসীদের অর্থ দেশে আসলেও বেশিরভাগক্ষেত্রেই বিনিয়োগে প্রয়োগ হতো না। এ উদ্যোগের ফলে প্রবাসীরা (দুবাই-এর) বাংলাদেশে সরাসরি বিনিয়োগের সুযোগ পেয়েছেন। তবে তারা এ বিনিয়োগ সম্পর্কে কতখানি সচেতন?
৫. দুবাই-এ সাধারণ এনআরবি কারো সাথে আপনার ব্যক্তিগতভাবে কথা হয়েছে কিনা, হয়ে থাকলে তাদের কাছ থেকে কী
ধরনের প্রতিক্রিয়া পেয়েছেন?
৬. এনআরবি ইনভেস্টমেন্ট ছাড়াও আরো দুটি সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। তার মধ্যে একটি সুকুক। এটি নিয়ে আপনাদের চিন্তা কী?
৭. প্রাইভেট ইকুইটি ও ভেঞ্চার ক্যাপিটাল নিয়ে যদি কিছু বলতেন।
৮. এই ইভেন্টে আপনার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা কেমন বা আপনার কোনো প্রিয় মুহূর্ত?
৯. উপস্থিত বিনিয়োগকারীদের প্রতিক্রিয়া আপনারা দেখতে পেরেছেন। তবে যারা অনলাইনে যুক্ত ছিলেন তাদের প্রতিক্রিয়া কী?
১০. অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের আর্থিক প্রতিষ্ঠানের অনেক মহারথিগণ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠান সম্পর্কে তাদের প্রতিক্রিয়া কেমন ছিল?
১১. আপনাদের মতে এই ইভেন্টটি কতখানি সফল হয়েছে বলে মনে করেন?
১২. দুবাই-এর পর বিশ্বের আর কোনো দেশে এ ধরনের আয়োজন বা ডিজিটাল বুথ স্থাপনের কোনো সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা আছে কিনা?
অনুষ্ঠানটি নিয়ে সবার আগ্রহ ছিল
মোহাম্মদ রহমত পাশা
ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও চিফ
এক্সিকিউটিভ অফিসার
ইউসিবি
স্টক
ব্রোকারেজ লিমিটেড

সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন
চিন্তা
করছিল
দেশের
ভেতর
এবং
বিদেশে
ব্রোকারেজ হাউজগুলোকে ডিজিটাল বুথ
স্থাপনের অনুমতি
দেবে।
আমরা
আগে
থেকেই
ভাবছিলাম কীভাবে
দেশের
বাইরে
এই
ধরনের
সুবিধা
দেয়া
যায়।
কারণ
আমাদের
বিপুল
সংখ্যক
প্রবাসীর একটি
বড়
অংশ
দেশে
বিনিয়োগে আগ্রহী। কিন্তু
তারা
যথাযথ
মাধ্যম
খুঁজে
পান
না
যে
কোথায়
বিনিয়োগ করবেন।
পুঁজিবাজারে বিনিয়োগে কোনো
আউটলেট
বা
বুথ
না
থাকায়
তাদের
সরাসরি
বিনিয়োগ করা
এবং
পুঁজিবাজারে অংশগ্রহণ করার
কোনো
সুযোগ
ছিল
না।
যার
ফলে
এই
প্রক্রিয়ার সংস্পর্শে তারা
আসতে
পারেন
না।
এমন
একটি
অবস্থায় বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) চেয়ারম্যান প্রফেসর শিবলী
রুবাইয়াত-উল-ইসলাম একটি দূরদর্শী সিদ্ধান্ত গ্রহণ
করেন।
তিনি
একটি
গাইডলাইন দেন।
আমরা
সেই
গাইডলাইনের ভিত্তিতে আমাদের
পরিকল্পনাগুলো বাস্তবায়নের সুযোগ
পাই।
আমাদের
আগে
থেকেই
পরিকল্পনা ছিল
যদি
দেশের
বাইরে
এই
সুবিধা
পৌঁছে
দেয়ার
উদ্যোগ
নেয়া
হয়
তবে
আমরা
সেটা
শুরু
করবো
দুবাই
থেকে।
কারণ
দুবাই
হচ্ছে
এমন
একটি
হাব
যেখানে
বিনিয়োগে আগ্রহীদের জন্য
অনেক
সুবিধা
দেয়া
হয়।
বিএসইসি চেয়ারম্যানের কাছে
প্রস্তাব দেয়ার
সাথে
সাথে
তিনি
বিষয়টি
পছন্দ
করেন
এবং
এ
বিষয়টি
নিয়ে
দ্রুত
আমাদের
অগ্রসর
হতে
বলেন। তিনি আমাদের
কাজের
ক্ষেত্রকে আরো
বাড়িয়ে
চিন্তà